আমার সেন্সি Shamsher Alam বলেছিলেন (আমার জবানীতে বলছি, বেশ কিছুদিন আগের কথা তাই স্মৃতিলোপের ফলে কোটেশন করতে পারছি না) "এমন কোন স্টাইল বা কোনকিছু করা উচিত নয় যা প্রতিপক্ষ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়।" এটা শুধু মার্শাল আর্টের ক্ষেত্রেই নয় অভিজ্ঞতায় দেখেছি জীবনের সব ক্ষেত্রেই কথাটা সত্য। যখন একপক্ষ অন্যপক্ষকে গর্ব করে ভাব দেখায় 'উম আমি এটা পারি ওটা পারি, তুমি আমার সাথে পারবা না, কাউকে অদক্ষ বলে অবজ্ঞা করে, হেয় প্রতিপন্ন করে', তখন তা অপমানিতপক্ষের ইগোতে চরমভাবে আঘাত করে। তার বা তাদেরও তো বডি রিসোর্স, হিউম্যান রিসোর্স, ইকোনমিক স্টেন্থ, ইন্টেলেকচুয়াল জাজমেন্ট, প্রশিক্ষণ নিয়ে উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে, তারা ছেড়ে কথা বলবে কেন? বা ছেড়ে দেবে কেন? ঠিকই জবাব দিয়ে দেয়। (কারো গর্ব চূর্ন করতে মানুষের একটু অতিরিক্ত মজা লাগে।) মানুষ চায় সম্মান, তার প্রতিভার স্বীকৃতি, শ্রমের মর্যাদা; আর তার অবমূল্যায়ন তাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। ইউনিভার্সিটিতে মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার নামে একটি কোর্সে সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার থেকে শুধু করে জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষনাসহ অনান্য দলিল পাঠ্য ছিল কিন্তু সেন্সির ঐ কথাটি কেন জানি মনে দাগ কেটে গেলো। কথাটি মনে হলেই নিউরোনে খেলা করে "Always RESPECT your opponents. Allow personal FREEDOM. Hate criticism & LOVE humanity." মানবপ্রেম বড় প্রেম; সমালোচনা, চ্যালেঞ্জ শত্রু আর কলহ বৃদ্ধি করে, পতন ঘটায়।
Showing posts with label ফেসবুক স্ট্যাটাস. Show all posts
Showing posts with label ফেসবুক স্ট্যাটাস. Show all posts
Thursday, March 15, 2018
Tuesday, March 13, 2018
:- দাদা! আজকাল শুধু মুভিই দেখেন পড়াশোনা করেন না?
:- না রে! জোসেফ উড ক্রুচ তার "দি মর্ডান টেম্পার" গ্রন্থে কি বলেছেন জানিস? "যত বেশী জ্ঞান বাড়ে তত বেশী দুঃখও বাড়ে। জ্ঞান বাড়িয়ে তুমি দুঃখই বাড়াও।"
:- তা বুঝলাম। কিন্তু জীবন তো আর মেলোড্রামা নয়, It's a tragedy!
:- যা ব্যাটা! তোর হারেম আর ইমারতের লোভ আমাকে দেখাস নে। ফোট! মুভি দেখতে দে।
:- আসলে মুভির প্রতি আপনার প্রেম ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রেমের মতোই অন্ধ।
:- হ্যা। আর প্রেমের স্বাদ যে পায়নি, জীবন তার কাছে তার শ্রেষ্ঠ ঐশ্বর্য উদঘাটিত করেনি। সে হতভাগা জীবনকে পেয়েও জীবন থেকে বঞ্চিত। "প্রেম সেতো আগুনের শিখা,
অন্তরেতে চির আনির্বাণ,
অবসন্ন নয় কভু তাহা,
নহে কভু রুগ্ন, পরিম্লান।"
:- উম!
:- এখন যা ভাগ! LED পর্দায় মিয়া খলিফা অপেক্ষা করছে।
:- দাদা! "এই সব নারীই নরকস্য দ্বারী, এরাই মানুষের সর্বপ্রকার পতনের মূল।"
:- ভাগলি ?
:- -#@#$%&*
:- না রে! জোসেফ উড ক্রুচ তার "দি মর্ডান টেম্পার" গ্রন্থে কি বলেছেন জানিস? "যত বেশী জ্ঞান বাড়ে তত বেশী দুঃখও বাড়ে। জ্ঞান বাড়িয়ে তুমি দুঃখই বাড়াও।"
:- তা বুঝলাম। কিন্তু জীবন তো আর মেলোড্রামা নয়, It's a tragedy!
:- যা ব্যাটা! তোর হারেম আর ইমারতের লোভ আমাকে দেখাস নে। ফোট! মুভি দেখতে দে।
:- আসলে মুভির প্রতি আপনার প্রেম ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রেমের মতোই অন্ধ।
:- হ্যা। আর প্রেমের স্বাদ যে পায়নি, জীবন তার কাছে তার শ্রেষ্ঠ ঐশ্বর্য উদঘাটিত করেনি। সে হতভাগা জীবনকে পেয়েও জীবন থেকে বঞ্চিত। "প্রেম সেতো আগুনের শিখা,
অন্তরেতে চির আনির্বাণ,
অবসন্ন নয় কভু তাহা,
নহে কভু রুগ্ন, পরিম্লান।"
:- উম!
:- এখন যা ভাগ! LED পর্দায় মিয়া খলিফা অপেক্ষা করছে।
:- দাদা! "এই সব নারীই নরকস্য দ্বারী, এরাই মানুষের সর্বপ্রকার পতনের মূল।"
:- ভাগলি ?
:- -#@#$%&*
(মোতাহের হোসেন চৌধুরী শুনলে নিশ্চিত আমাদের দুটোকেই ধাওয়াতেন।)
ঘাড়ত্যাড়া বয়ফ্রেন্ড
একজন ঘাড়ত্যাড়া গুন্ডা মার্কা বয়ফ্রেন্ড শুধু বয়ফ্রন্ডই নয় এক একজন পারফেক্ট বডিগার্ডও বটে। ঢাকা শহরে চলতে গেলে সাথে একজন ছেলে একজন সুন্দরী অসুন্দরী যুবতী বৃদ্ধা সকলেই দরকার। সাথে একজন ছেলে, তবে বোকাচোদা আতেল মার্কা নয়, একটু শন্ডা মার্কা হলে চারপাশের মানুষ উত্যক্ত করার আগে দুবার ভাবে। কেউ উত্যক্ত করলে সাথে সাথে reaction করলে উত্যক্তকারী ঘাবড়ে যায়। সোসাল সাইন্স ফ্যাকাল্টির ছাত্র হয়েও কার্জন হলের ছেলেদের ঝাড়ি মেরে সরি বলিয়েছি, শহীদুল্লা হলের পুকুড়পাড়ে ঐ হলের ছেলেদেরই ভয় ধরিয়ে দিয়েছি আওয়াজ তুলে। উত্যক্ত করলেই আওয়াজ তুললে কাউকে না কাউকে সাহায্য করার জন্য পাওয়া যায়ই। এ ক্ষেত্রে আত্মরক্ষামূলক মার্শাল আর্ট বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এটা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার বা প্রতিবাদ করার সাহস বাড়িয়ে দেয়। আমার সেন্সি Shamsher Alam বলেন ( হুবহু মনে নেই তবে যেটুকু মনে আছে নিজের ভাষায় বলছি) "তুমি তো আর সব জায়গায় বন্দুক বা অস্ত্র নিয়ে যেতে পারবে না কিন্তু একজন মার্শাল আর্টিস্টের হাত পা ই এক একটা weapon."
চারপাশে যে সব ইভটিজিং, রেপ এর খবর শুনি তাতে আমার বোন থাকলে তার সিকিউরিটি নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়ে যেতাম, আর প্রেমিকার সুরক্ষা তো বটেই। মেয়েদের জন্য আমাদের সোসাইটি বড়ই বিপদজনক আজকাল। হাতের মুঠোয় পর্ন, যেখানে নির্যাতনে আর্গাজমের আওয়াজ, তা নারীকে উত্যক্ত করতে উঠতি কিশোর বা যুবকদের অনুপ্রাণিত করে, কোন সন্দেহ নাই। আজকাল ছেলেরা ethics শিখছে ফিল্ম বা সোসাল মিডিয়া থেকে। যার ফলাফল এই বিকৃত আচারন ।
আজ ৭ই মার্চ, ফেসবুকের নিউজফিডে যেসব ঘটনা দেখলাম, সত্যি দুঃখজনক। শংকিত মানবতা! পুরুষ হিসেবে সত্যি আমি দুঃখিত।
চারপাশে যে সব ইভটিজিং, রেপ এর খবর শুনি তাতে আমার বোন থাকলে তার সিকিউরিটি নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়ে যেতাম, আর প্রেমিকার সুরক্ষা তো বটেই। মেয়েদের জন্য আমাদের সোসাইটি বড়ই বিপদজনক আজকাল। হাতের মুঠোয় পর্ন, যেখানে নির্যাতনে আর্গাজমের আওয়াজ, তা নারীকে উত্যক্ত করতে উঠতি কিশোর বা যুবকদের অনুপ্রাণিত করে, কোন সন্দেহ নাই। আজকাল ছেলেরা ethics শিখছে ফিল্ম বা সোসাল মিডিয়া থেকে। যার ফলাফল এই বিকৃত আচারন ।
আজ ৭ই মার্চ, ফেসবুকের নিউজফিডে যেসব ঘটনা দেখলাম, সত্যি দুঃখজনক। শংকিত মানবতা! পুরুষ হিসেবে সত্যি আমি দুঃখিত।
Friday, March 2, 2018
Thursday, March 1, 2018
কোপাও তোমার নিজের স্টাইলে
এক দর্শন আর এক দর্শনকে পুরো ধর্ষণ করে ছেড়ে দেয়। আস্তিক্যবাদ নাস্তিক্যবাদকে কুপিয়ে অর্গাজম স্তরে নিয়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদ নিজেকে Racehorse ভেবে কমুউনিজমকে Cart Horse বলে উপহাস করে। দুঃখবাদ ভোগবাদের নাম উচ্চারণ করতেও লজ্জা পায়। তাই মনে হয় আইনস্টাইন বেঁচে থাকলে আজ নিউটনের সূত্রকে পরিবর্তন করে লিখতেন "প্রত্যেক দর্শনের একটি বিপরীত দর্শন রয়েছে।" তাই no care, just কোপাও তোমার নিজের স্টাইলে।
Wednesday, February 28, 2018
পুরান ঢাকার হরিঘোষ লেনের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথের সাথে ভজঘটানন্দ স্ট্রিটের লাস্যময়ী তরুনী মিয়া খলিফার ঢাকা গেটের সামনে হটাত দেখা। তো ঠাকুর বলিলেন, " ওহে পয়োধারী! Global Warming এর উপর আমার উপন্যাস চোখের বালি এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে। তুমি যদি এই বই সম্পর্কে উইপোকাদের আড্ডাখানায় একটা পোষ্ট দাও তাহলে কিছু কাটতি হয়, হাজার হলেও নিজের টাকায় বই পাবলিশ করেছি দু এক কপি বিক্রি না হলে কিভাবে হয়!"
"যা দুষ্টু! ওসব ওয়ারমিং টোয়ারমিং এর আমি কি বুঝি। তার চেয়ে তুমি Women Rights এর উপর একখানা কড়া উপন্যাস ললিতা কিংবা ইউলিসিস লিখতে। বুঝতাম তোমার বীরত্ব।" মিয়া খলিফা উত্তর করিলেন।
একথা শুনে ঠাকুর ক্যালিগুলার জীবনচরিত লেখার সংকল্প করিয়া প্রস্তান করিলেন।
একথা শুনে ঠাকুর ক্যালিগুলার জীবনচরিত লেখার সংকল্প করিয়া প্রস্তান করিলেন।
বাল! বাল! বাল!
বাল! বাল! বাল!
আমার বিছানায় এ কার বাল?
জিজ্ঞেস করি রুমমেটকে
বলে "How would I know?"
ইমেইল করলাম প্রক্টরকে ফটোগ্রাফসহ
তিনি রিপ্লাই দিলেন পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের একটি টিম পাঠাচ্ছেন ।
এলেন তারা সাথে একজন জুড়িসিয়াল মেজিট্রেট।
কেস স্টাডিজ চলল ঘন্টাখানেক ধরে
তারপর রিপোর্ট দিলেন,
বসন্তের এ দক্ষিনা সমীরনে ভেসে এসেছে এ তন্তু
হয়তো কোন তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে সামুদ্রিক পাখির মত একটু আশ্রয়ের আশায়।
হতে পারে এ বাল আমাজনের গহীন অরন্য সভ্যতার অষ্টাদশী অসূর্যস্পশ্যার।
কিংবা নীল সমুদ্রের বুকে সার্ফিং করতে থাকা বুদাপেস্টের রাজকুমারীর।
যে হয়তো হিংস্র হাঙরের আক্রমনে এতক্ষনে মৃত।
যারই হোক এ যৌবনের সিম্বল উড়ে যখন এসেছে কি আর করা!
কাপ্তান বাজারের সবচেয়ে দামী শ্বেত কপোতের ডানায় করে উড়িয়ে দেবো তাকে আবার।
তারপর হবে সব স্মৃতি!
হায়রে বাল!
উড়ে যায় কায়া
রেখে যায় মায়া!
আমার বিছানায় এ কার বাল?
জিজ্ঞেস করি রুমমেটকে
বলে "How would I know?"
ইমেইল করলাম প্রক্টরকে ফটোগ্রাফসহ
তিনি রিপ্লাই দিলেন পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের একটি টিম পাঠাচ্ছেন ।
এলেন তারা সাথে একজন জুড়িসিয়াল মেজিট্রেট।
কেস স্টাডিজ চলল ঘন্টাখানেক ধরে
তারপর রিপোর্ট দিলেন,
বসন্তের এ দক্ষিনা সমীরনে ভেসে এসেছে এ তন্তু
হয়তো কোন তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে সামুদ্রিক পাখির মত একটু আশ্রয়ের আশায়।
হতে পারে এ বাল আমাজনের গহীন অরন্য সভ্যতার অষ্টাদশী অসূর্যস্পশ্যার।
কিংবা নীল সমুদ্রের বুকে সার্ফিং করতে থাকা বুদাপেস্টের রাজকুমারীর।
যে হয়তো হিংস্র হাঙরের আক্রমনে এতক্ষনে মৃত।
যারই হোক এ যৌবনের সিম্বল উড়ে যখন এসেছে কি আর করা!
কাপ্তান বাজারের সবচেয়ে দামী শ্বেত কপোতের ডানায় করে উড়িয়ে দেবো তাকে আবার।
তারপর হবে সব স্মৃতি!
হায়রে বাল!
উড়ে যায় কায়া
রেখে যায় মায়া!
Subscribe to:
Posts (Atom)