Showing posts with label প্রেমপত্র. Show all posts
Showing posts with label প্রেমপত্র. Show all posts

Friday, February 9, 2018

:-
তুমি আমার পর্যাবৃত্ত গতি,
তুমি আমার একাদশে বৃহস্পতি,
তোমার সাথে আমার আয়নিক বন্ধন,
তোমার দেখলে আমার বিভবশক্তি হয় গতিশক্তি,
তুমি আমার ক্যালকুলাসের আপার লিমিট,
আমার অভিসারিতা অপসারিতার কারন তুমি।
নেশা:-
তোমার Escape Velocity (মুক্তিবেগ) আমার আকর্ষণ শক্তি থেকে বেশী!

Wednesday, January 24, 2018

"কুচ হতে কত উচ্চ মেরু চুড়া ধরে। শিহরে কদম্ব ডরে দাড়িম্ব বিদরে ॥”

চর্যাপদে আমার একটা প্রিয় পংক্তি হচ্ছে,
"অপনে রচি রচি ভব নির্বাণা।
মিছে লোঅ বন্ধাব অপনা।।
( চর্যা-২২, সরহ পা)
অর্থাৎ প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা আলাদা জিনিসে মজা পায়; প্রত্যেকের কাম্যবস্তু বা নির্বাণ আলাদা। কারো বা মরুভূমির বেলিড্যান্স ভালো লাগে কারো না মনিপুরী মেয়ের নৃত্য। কেউ বা কেরু এন্ড কোং কোম্পানির একনিষ্ঠ ভক্ত কেউবা সদরঘটের বাদামতলীর ফলবাজারের আড়তদার। 
কার যে কোথায় প্রথমানন্দ, পরমানন্দ, বিরামানন্দ, অবশেষে সহজানন্দ তা বোঝা দায়। কেউ বা কুচযুগধারী বালিকায় মুগ্ধ হয়ে বাক্য প্রসব করে বলে,
"কুচ হতে কত উচ্চ মেরু চুড়া ধরে।
শিহরে কদম্ব ডরে দাড়িম্ব বিদরে ॥”
কিংবা
"গোলাপি বরণ পীন পয়োধরদ্বয়,
বিকচ কদম্ব শোভা যাতে পরাজয়।
বিরাজে বক্ষের মাঝে নিজ গরিমায়,
স্থানাভাবে ঠেকাঠেকি সদা গায় গায়।"

আর কেউবা সবকিছু ত্যাগ করে তিব্বতে গিয়ে সন্ন্যাসী হয়ে গৌতম বুদ্ধের অনুকরণ করে সুখ লাভ করে।
হায়রে সুখ! কত বিচিত্র প্রকারের এ সুখ!
তবে যাই বল, ভাই ঘন্টাখানেক বিজয় সারনী কিংবা ফার্মগেটে জ্যামে আটকে থাকার পরে হলে এসে চেন খুলে ছেড়ে দেয়ার মত সুখ আর নাই। (ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হবে, " এতো সুখ সইব কেমন করে.........)"
আমার ললনা, রসনা, অবধূতী সবই যে এই জাগতিক সুখের সন্ধান করে রে ভাই, তাই আমি ডোম্বীতেই আটকে রইলাম, কাপালিক হইলাম, নৈরাত্মদেবীর সন্ধান আর পাইলাম না।

Sunday, January 14, 2018

এক সময় ফাতেমা ছিল আমার ক্রাশ। 
আর এখন যদি ফাতেমা আমাকে জিজ্ঞেস করে, 
" আমি তোমার কে? " 
আমি বলবো, "তুমি আমার আপন মা।
পোলিও টিকার মতো লিপিস্টিকও বাধ্যতামূলক করা হোউক। ইদানীং দেখিতেছি নিয়মিত লিপিস্টিক ডোজ পাওযা যুবকেরা মোটা হইয়া যাইতেছে আর আমারা না পাওয়ার দল চিকন হইয়া যাইতেছি। কেন? আমারদের কি লিপিস্টিক অধিকার বলিয়া কিছু নেই?
এক সময় তুমি আমি ছিলাম Sine Wave কিংবা Cosine Wave এর মতো, একটু এদিক ওদিক হলেই দুজনে সমপাতিত হতাম আর এখন কেউ একজন প্রভাবকের উপস্থিতিতে Tangent Wave এ পরিবর্তিত হয়েছি ফলে এ জীবনে তোমার আমার আর সমপাতিত হওয়ার কোন সম্ভাবনা রইল না।

Monday, January 1, 2018

- I love you. - Thank You, Vaiya !

-  I love you.
- Thank you vaiya.
কেমন লাগে বলুন তো?  ইহাই ছিল আমার প্রেমের আবেদনের প্রতিউত্তর।  সে রূপসী, সর্বাঙ্গসুন্দরী মানসী, প্রাণোচ্ছল হাসিধারিনী।  তাহার  স্বর্ণকান্তী দেহছটা,  গ্রীষ্মের সূর্যের মত রূপদ্যুতি,  তাই এতো দেমাগ?

জানিতে চাও সে কে?  সে হতে পারে বৈষ্ণব পদাবলীর রাধিকা, নীল নদের সর্পখ্যাত ক্লিওপেট্রা কিংবা মেনিলাউসের  এর স্ত্রী হেলেন কিংবা ইতালিয়ান ফিল্মের মনিকা বেলুচ্চি।  তাহার মুক্তাজ্যোতি দন্তরাশী,  নৃত্যছন্দ,  পদ্মনাল বাহুদ্বয়,  রক্তজবা লিপিস্টিক,  মস্তিষ্কের নির্ঘুম হরমোনকে প্রভাবিত করে জাগিয়ে রাখলো আজ রাত।

তাহার জন্য হতে পারি রানী ইসাবেলার নৌ সেনাপতি ফার্নাদেস কার্তেজ কিংবা ভাস্কো -দা- গামা কিংবা কবি জন ডাইন,  তারপর বলিতে পারি " For God sake hold your tounge and let me love. "

 যুবক তুমি করিয়াছ ভুল,  DNA এর ডাবল হেলিক্স গঠন পড়িয়াছ,  ব্যাবলিয়ন অ্যালজেবরা আর জটিল অ্যালগরিদম বুঝিয়াছ,  দর্শনের শূন্যবাদ থেকে নৈরাশ্যবাদ গিলিয়াছ,  অপটিক্যাল ফাইবার থেকে টুইস্টেট ক্যাবল দিয়ে তথ্য পাচার করিয়াছ কিন্তু মেয়ে মানুষের মনে ঢুকিবার কৌশল কিংবা সিস্টেম Crack করিতে শিখো নাই।  তাইতো তাহার ভাইয়া ডাক মহাভারতের  অভিমন্যু বধের ন্যায়  চক্রব্যূহ রচনা করিয়া সপ্তরথী সদৃশ্য তীর নিক্ষেপ  করিতেছে।
এ প্রেম যন্ত্রনার প্রতিষেধক কি ডেভিডসনের "মেডিসিন" এ লেখা আছে ? নিউরোলজি কি বলেছে এ বিষয়ে?

Shelly,  Keats,  D H Lawrence,  বিদ্যাপতি,  চন্ডীদাস,  মুকুন্দদাস বাঁচিয়া থাকিলে আজ তাহাকে লইয়া লেখা হইত  verse কি verse,   পংক্তি কি পংক্তি।  ননজুডিশিয়াল স্টাম্পে লিখিয়া দিতে পারি কার্ল মার্কস নেশাকে  দেখিলে বুর্জোয়া,  প্রলিতেরিয়েত শ্রেনী বিভাগের সাথে নেশা প্রেমিক সম্প্রদায়ও  অন্তর্ভুক্ত করিতেন।
যদি কোন প্রেমবীক্ষন যন্ত্র থাকিত বা প্রেমমিটার  বলিয়া কিছু থাকিত তাতে মাপিয়া দেখাইতাম অনুভুতির মাত্রা কত।   

Sunday, September 11, 2016

প্রাক্তন প্রেমিকার কাছে লেখা চিঠি

প্রিয় একসময়ের প্রেমিকা,
সময়ের সাথে মানুষের গন্ধটাও বদলায় । একসময় অনেক দুরথেকে
বলতে পারতাম তুমি আশেপাশে আছো । আমি কুকুর পুষি হয়তো তার কাছ থেকে এই গুনটি পেয়েছি । কুকুর যেমন একই এলাকার বাসিন্দাকে দূর থেকে গন্ধ শুকে বলতে পারে ও তার বন্ধু না শত্র“ তেমনি আমিও চিনতাম তোমার পায়ের শব্দ, গন্ধ । আজ কিন্তু সেটা কেমন যেন অপরিচিত মনে হয় ! আজ অনেকদিন পরে তোমায় দেখলাম সত্যি চিনতে পারিনি ! কোন ইন্দ্রিয় বলেনি তোমাকে চেনে ! হয়তো তারা সেই তোমাকে পায়নি , তাই আমাকে কিছু বলে নি । কি করবো বল , যে তোমার সাথে কথা বলে কথা শেষ হতো না আজ কোন কথাই মুখে আসেনি !
তুমি আশেপাশে আসার সাথে সাথেকেমন যেন উৎকট গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসছিল , বমি আসছিল ,। পরপুরুষে ছুঁলে বুঝি এমন হয় ! তুমি ধারেরকাছে যতক্ষণ ছিলে আমি শ্বাস নিতে পারিনি , আমার অক্সিজেন কে যেন কেড়ে নিয়েছিল । তোমাকে দেখে আমার খুব ঘৃণা লাগছিল , সাথে বমি। মনে হয়েছিল কে এই দুরাত্মা , পাপী , বারবনিতা , রক্ষিতা । বের করে দাও একে এখান থকে , এ এই সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করছে !
সত্যি এমন ঘৃণা জাগবে আমি জানিনি ! অথচ ভেবেছিলাম তোমার সাথে
কোনদিন দেখা হলে চোখের জল হয়তো বাঁধ মানবে না । সময় কত নিষ্ঠুর না ! বদলে দিয়েছে দুজনকে । সত্যি তোমার প্রতি আজ আমার কোন ভালবাসা নাই , যা আছে তা শুধু ঘৃণা । তুমি প্রতারক ! বি সি এস ক্যাডারের কাছে বিক্রি হয়েছিলে , আবিষ্কার করেছিলাম দুজনকে হলের সামনে ,সেদিন দুনিয়াটা আমার অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল । অনেক কষ্টে সে দিন গুলোর কথা ভুলেছি । অনেক রাগ হয়েছে তোমার উপর, মনে হয়েছে দুজনকে পিটিয়ে সোজা করে দি । আমার ক্যা¤পাসে আমার চোখের সামনে ঘুরেছ , কিছু বলি নি । কিন্তু আজ ! দিন সবার একভাবে যায় না । আজ তুমি ভিখারি আমি রাজা ! প্রতিশোধ নিতে পারি কিন্তু নেব না । দূর হয়ে যাও আমার চোখের সামনে থেকে ! পন্যা , পতিতা কোথাকার !
দ্যাখো, সে দিন আমি তোমার জন্য কেঁদেছি আজ কত ঘৃণা করি তোমায়।
যা হোক ভালো থেকো , আমি তোমায় ক্ষমা করে দিয়েছি অনেক আগেই !

পাখির ফিরে আসা

ফিরে এল পাখি আমার । আজ পাঁচ বছর পরে । স্বামীর সাথে বনিবনা হয়নি তাই আমার কাছে চলে এলো । একদিন বলেছিলাম ,'' আমার দরজা সারাজীবন তোমার জন্য খোলা থাকবে , জীবনের যে কোন সময় আমার কাছে এসো , আমি তোমাকে গ্রহণ করব ।'' তাই সে আজ আমার কাছে ভরসা খুজতে এলো । অথচ একদিন আমার কাছে ভরসা না পেয়ে ওই লোকের জন্য আমাকে কষ্ট দিয়ে চলে গিয়েছিল ।
তোমাকে নিয়ে আমি সেন্ট মারটিন যাবো ? গিয়েছিলে তোমার স্বামীকে নিয়ে ওখানে ? জিজ্ঞেস করবো না কোনদিন । কারন আমি আর তুমি ক্যাম্পাসে কত ঘুরেছি , সেই সব জায়গায় তুমি তোমার স্বামীকে নিয়ে ঘুরেছ । আমার কথা মনেও পড়েনি তখন ।
আচ্ছা, কি করেছিল লোকটা ? চলে যাওয়ার সময় বলেছিলে,'' লোকটার বয়স ৩৮ । তাকে আমি সৎ মনে করি না । সে এই পর্যন্ত এসেছে নিশ্চয়ই প্রেম , সেক্স এগুলো করেছেই । এতে আমি কিছু মনে করি করি না ।''
অথচ তুমি আমার প্রথম প্রেম ছিলে ! কি পার্থক্য ছিল লোকটার আর আমার ? অনেক তাইনা ? সে বি সি এস ক্যাডার আর আমি মাত্র ছাত্র । আমার একটা দোষ তুমি ক্ষমা করতে না অথচ তার বেলায় সাতখুন মাপ । মর্যাদার জন্যই আমাকে ছেড়েছিলে । মর্যাদা পেলে কোথায় ? মর্যাদা পাওনি তাই ফিরে এসেছ ?
কিন্তু আমিতো সেই আমি নাই । তুমি দুঃখ দিয়েছিলে বোলেই পৃথিবীটা দেখতে বেরিয়েছি । দেখেছি পৃথিবীতে তোমার চেয়েও সুন্দর মেয়ে আছে । তোমার চেয়েও সুন্দর করে মানুষ কথা বোলতে পারে । দেখেছি যারা আমার মত ছাত্র আর জন্য কি করবে না করবে হতবুদ্ধ হয়ে দৌড়াদৌড়ি করেছে , ভাইয়া ভাইয়া বলে গলা শুকিয়েছে ।
তোমাকে এখন আর তাদের পাশে ঠাই দিয়ে পারি কই । লোভে পড়েছিলে , ভালো রেস্টুরেন্টে খাওয়া , বি সি এস ক্যাডার এর বউ , কি মর্যাদা তাই না ! দামি দামি সুন্দর সুন্দর পোশাক , কি সুখ! আহা ! সে সুন্দর করে কোর্ট শার্ট পরে ক্যাম্পাসে আসে ! এর আমি ভার্সিটির বিভিন্ন র‍্যালিতে পাওয়া ফ্রি টিশার্ট পরেই জীবন কাটাই , ক্লাসে যাই, ঘুরে বেড়াই । তাই ছেড়ে গিয়েছিলে ?
শেষে একটা কথাই বলি । তুমি ছেড়েছিলে তাই পৃথিবী তার সৌন্দর্যে আমাকে মাতিয়েছে । দুহাত ভরে শূন্যতাকে সে পূর্ণ করেছে । আজ ফিরে এসেছ , কিন্তু তোমাকে দেয়ার মতো জায়গা কই বলো ? আমি যে সব কিছু পৃথিবীকে দিয়ে দিয়েছি !

পাখির প্রতি প্রেমপত্র

প্রেম করে বিয়ে করতে সাহস লাগে মেয়ে , তোমার মতো ভীরু মেয়ের দ্বারা তা হবে না ।
হু , তোমার দ্বারা হবে ?
হবে না মানে ? চলো আজই বিয়ে করবো ।
এভাবে আমি বিয়ে করবো না । মা বাবা কি বলবে ? পাড়া প্রতিবেশী কি বলবে ? আমাদের পাঁচ বোনের কেউ প্রেম করে বিয়ে করি নি । আর আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি , মা বাবা কতো কষ্ট করে টাকা পাঠায় , আমি তাদের মনে কষ্ট দিতে পারবো না ।
বাল , প্রেম করার সময় মনে ছিল না ? আমার চার বছর নষ্ট করে এখন উনি কাহিনী জুড়েছেন ।
দেখো রাজীব , মা কে আমি কষ্ট দিতে পারবো না । মা এমনিতেই হাইপ্রেশারের রোগী । একথা শুনলে উনি মারাই যাবেন ।
কেন , তোমার ফুফা করেছিল , তার মা মারা গিয়েছিল ? তোমার বাবা করেছিল , তাঁর মা মারা গিয়েছিল ?
দ্যাখো , ওনাদের কথা আলাদা ।
বালের আলাদা । মেজাজ খারাপ কর না । মা কি বিলবে , বোনেরা কি বলবে তার ভয়ে উনি প্রেমের সমাধি দিবেন । আরে পাখি , লোকের তো আর কাজ নাই , আমাদের কথা নিয়ে ওনাদের ঘুম হারাম করবে । লোকে প্রেমের বিয়েকে ভালোই বলে । মুখে যাই বলুক না কেন । প্রেম করে কয়জন তার প্রেমিকাকে বিয়ে করতে পেরেছে ? সবাই চায় প্রেমের জয় হোক । আমিও চাই প্রেমিক প্রেমিকার মিলন হোক । ক্যাম্পাসে ছেলেরা অনেক সময় প্রেমিক জুটিকে র‍্যাগ দেয় । আমি ওদের বলি ,‘’দ্যাক ভাই , প্রেম স্বর্গীয় , ওদের মিলন হোক । তোমরাও তোমাদের প্রেমিকাকে পাও জীবন সাথী করে । ওদের সুখে থাকতে দাও । কিছু কিছু ছেলের প্রিয়তমা এতো সাহসী যে সবকিছু তুচ্ছ করে প্রেমিকের কাছে ছুটে আসে । এমনইতো চাই । আমি পারি নাই বলে তাতে কি ? ওরা তো পারছে । ‘’ শুনে ওরা চুপ করে মন খারাপ করে চলে যায় । হয়তো ওদের মনে হয়ে যায় , একটু সাহসের অভাবে একদিন সে তার প্রিয়াকে হারিয়েছে । হয়তো তাকে শুনতে হয়েছে ,’’আপনি অতো সাহসী না ।‘’
বলবেই তো , পটানোর কথা সব । বিয়ে করবে খাওয়াবে কি ? আমার ইচ্ছা মন্ত্রীদের মেয়েদের যেমন ধুমধাম করে দিয়ে হয় আমার তেমনি হবে । ৩২ ভরি সোনার অলঙ্কার আমার গায়ে থাকবে । আর মা বাবাকে কষ্ট দিয়ে বিয়ে করলে ওনারা অভিশাপ দেবে । ওই ছেলেকে বিয়ে করলে মা বাবা অনেক খুশি হবে । আমি সুখে না থাকলেও সুখী খাকার ভান করবো । দেখেছো ছেলেটা ম্যাজিস্ট্রেট শুনে ওনারা কতো খুশি হয়েছেন । আমি ওনাদের মনে কষ্ট দিতে পারবো না । তুমি আমায় ক্ষমা করো ।
এরপর তোমার বিয়ে আর আমার একাএকা পথ চলা শুরু । আজ দশ বছর পরে জিজ্ঞেস করছি কেমন আছো তুমি ? এখন একটু সাহসী হয়েছ কি ? বিয়েটা আমায় করলেই পারতে । আর হ্যা, প্রোমোশন পেয়ে পেয়ে তোমার স্বামীর উপরর পোস্টাই আমার । মানে এখন আসবে আমার কাছে । আসলে যোগাযোগ করো , কেমন ?

বাসন্তীর প্রতি প্রেমপত্র

আমার একটা পেয়ারা প্রেম ছিল । পেয়ারা প্রেম মানে হচ্ছে, সে প্রতিদিন গোসল করার সময় পেয়ারা নিয়ে আসতো আর দুজনে নদীর পাশে বসে খেতাম আর আমি ওর দিকে তাকিয়ে থাকতাম । সে ছিল এলাকার সেরা সুন্দরী । এলাকার বড় ভাইরা আমার সাথে কথা বলতো না , আমি তার সাথে প্রেম করি বলে । প্রেম বোলতে এমন ছিল যে , সে এতো সুন্দর ছিল যে আমি তাকে শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতাম । বিনিময়ে সে আমাকে প্রতিদিন টমেটো , তেতুল , পেয়ারা , বরই খাওয়াত । আমাকে ছাড়া পাগলীটা কিছু বুজত না । প্রতিদিন বিকেলে ওদের খেতের শশা , আখ তুলতে আমাকে নিয়ে যেত । আখ খেতে গেলেই ওর পায়ে কি যেন ব্যাথা হতো , হাটতেই পারতনা । ওকে ওটুকু কোলে করে পার করতে হতো । আর বুকের ভেতর সে গরম নিঃশ্বাস ফেলত । আমি কোথায় আছি সে ঠিক জানতো আর সেখানে চলে আসতো । দোতালার ঘরে একা আছি হঠাৎ দেখি সে এসে হাজির , নতুন জামা পরে আয়নার সামনে ভাব নিচ্ছি পেছনে দেখি সে । কোন অনুষ্ঠানে গেলে ছেলেরা ওর পিছু নিত আর আমি ছেলেদের সাথে ঝগড়া মারামারি করতাম । আর অনুষ্ঠান থেকে ফিরে আসার সময় সে হাটতেই পারতোনা , হাত ধরে কাঁধের উপর মাথা রেখে দুলতে দুলতে আসতো । মাঠে খেলতে গেলে ও আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে লাফাত আর দৌড়াত, আর সে কি হাসি । আজো সে হাসে তবে আমার বুকের ভেতর লুকিয়ে লুকিয়ে । আর আমি ওকে অনেক ভালবাসি । ও যে আমার সব ।