Showing posts with label ব্যঙ্গ. Show all posts
Showing posts with label ব্যঙ্গ. Show all posts

Saturday, April 28, 2018

আধুনিক শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

চন্ডীদাস যদি এখন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন লিখতেন তাহলে কানাই হত মিরপুর লিংক কিংবা রাজা সিটি পরিবহনের বাসের হেল্পার আর রাই হত কমার্স কলেজ কিংবা সিটি কলেজের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী। প্রতিদিন বাসে যেতে যেতে আর মেট্রোরেলের কল্যানে জ্যামে বসে থাকতে থাকতে প্রথমে চোখাচোখি খন্ড তারপর ভাবখন্ড। এরপর পর্যায়ক্রমে আইসক্রিম/ফুসকা খন্ড, রেস্টুরেন্ট খন্ড, দানখন্ড, বাপমায়ের পিটানো খন্ড, হেল্পারবিরহ খন্ড অবশেষে বাড়ির পাশে বাঙলাস্কুল বদলি খন্ড লিখিত হত।

ইন্টেলেকচুয়াল বা বুদ্ধিজীবী!

ইন্টেলেকচুয়াল বা বুদ্ধিজীবী! ইহারা বালকে তালগাছ বানাতে কিংবা স্বাভাবিক নিয়মে ঝরে পড়া শক্তিবর্ধক হালুয়া বিক্রেতার গূহ্যদেশের লোমকে যেভাবে বর্ননা করতে পারেঃ-
১. বালটি এভাবে নিহত হওয়ার পেছনে Animal Farm এর Snowball এর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে। 
OR
২. এ বালটি মেঘনাধকে বধের সময় তাঁর অঙ্গ থেকে খসে স্বর্গে চলে গিয়ে ঊর্বশী-রম্ভাদের বালের সাথে মিলেমিশে বসবাস শুরু করে। পুরানো স্মৃতি মনে করে এটি এখন এ ভবে ঘুরতে এসেছে বলে আমরা মনে করি। 
OR
৩. এ বালটি হচ্ছে অস্ট্রালোপিথেকাস আফারেনসিস নারী লুসির; ১৯৭৪ সালে ইথিওপিয়ার আওয়াশ উপত্যকার হাডার অঞ্চলে যার ফসিল খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। কার্বন টেস্টের মাধ্যমে আমরা এটি নিশ্চিত হতে পেরেছি।
AT LAST
সিদ্ধান্তঃ ইন্টেলেকচুয়ালদের মুখটা সানি লিওনের গোয়ার মতো কখন যে কি ঢুকে বা বের হয় ঠিক বোঝা যায় না।

Wednesday, March 28, 2018

তোমরা বল ভুড়ি আমি বলি "Power House" যেখানে ইউরেনিয়াম সঞ্চিত করছি; ফিশন শুরু হলে কি অবস্থা হবে চিন্তা কর?

Wednesday, February 28, 2018

পুরান ঢাকার হরিঘোষ লেনের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথের সাথে ভজঘটানন্দ স্ট্রিটের লাস্যময়ী তরুনী মিয়া খলিফার ঢাকা গেটের সামনে হটাত দেখা। তো ঠাকুর বলিলেন, " ওহে পয়োধারী! Global Warming এর উপর আমার উপন্যাস চোখের বালি এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে। তুমি যদি এই বই সম্পর্কে উইপোকাদের আড্ডাখানায় একটা পোষ্ট দাও তাহলে কিছু কাটতি হয়, হাজার হলেও নিজের টাকায় বই পাবলিশ করেছি দু এক কপি বিক্রি না হলে কিভাবে হয়!"
"যা দুষ্টু! ওসব ওয়ারমিং টোয়ারমিং এর আমি কি বুঝি। তার চেয়ে তুমি Women Rights এর উপর একখানা কড়া উপন্যাস ললিতা কিংবা ইউলিসিস লিখতে। বুঝতাম তোমার বীরত্ব।" মিয়া খলিফা উত্তর করিলেন।
একথা শুনে ঠাকুর ক্যালিগুলার জীবনচরিত লেখার সংকল্প করিয়া প্রস্তান করিলেন।
"আমার ঘুম ভাংগাইয়া গেল রে মরার কোকিলে ....." চালিয়ে দিয়ে দুই রুমমেট কুস্তি শুরু করেছে, আমি রেফারির দায়িত্ব পালন করছি। আতংকে আছি কখন দুজনে মিলে আমাকে আক্রমণ করে বসে।
রাজনীতির সোদনে ছেলে বাপকে ডাকে ভাই !
ডিপার্টমেন্টে গিয়েই শুনলাম সদ্য যোগদানকৃত ম্যাম "Liberal Feminism" (উদার নারীবাদ) পড়াবেন। যাক! মধ্যবয়সী, চাচার সহপাঠিনী ম্যামদের লেকচার শুনতে শুনতে ক্লাসে ঝিমিয়ে পড়তাম এবার যদি জেগে থাকার কিছু পাই আর ম্যাম যদি একটু Liberal হয় (মন মানসিকতা প্লাস পোশাকে) তাহলেই কেল্লাফতে। ম্যাম এলেন, আপদমস্তক কালো পর্দা বিদ্যামান, ক্লাসের মাঝে মাঝে আবার সব কিছু ঠিক করে দেখেন কিছু দেখা যায় কিনা! 
শালা! আমার Liberal Feminism! এরপর থেকে ঐ ম্যামের ক্লাসে কোনদিন যাইনি।

বাল! বাল! বাল!

বাল! বাল! বাল!
আমার বিছানায় এ কার বাল? 
জিজ্ঞেস করি রুমমেটকে 
বলে "How would I know?" 
ইমেইল করলাম প্রক্টরকে ফটোগ্রাফসহ 
তিনি রিপ্লাই দিলেন পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের একটি টিম পাঠাচ্ছেন ।
এলেন তারা সাথে একজন জুড়িসিয়াল মেজিট্রেট। 
কেস স্টাডিজ চলল ঘন্টাখানেক ধরে 
তারপর রিপোর্ট দিলেন, 
বসন্তের এ দক্ষিনা সমীরনে ভেসে এসেছে এ তন্তু
হয়তো কোন তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে সামুদ্রিক পাখির মত একটু আশ্রয়ের আশায়। 
হতে পারে এ বাল আমাজনের গহীন অরন্য সভ্যতার অষ্টাদশী অসূর্যস্পশ্যার।
কিংবা নীল সমুদ্রের বুকে সার্ফিং করতে থাকা বুদাপেস্টের রাজকুমারীর। 
যে হয়তো হিংস্র হাঙরের আক্রমনে এতক্ষনে মৃত। 
যারই হোক এ যৌবনের সিম্বল উড়ে যখন এসেছে কি আর করা! 
কাপ্তান বাজারের সবচেয়ে দামী শ্বেত কপোতের ডানায় করে উড়িয়ে দেবো তাকে আবার। 
তারপর হবে সব স্মৃতি! 
হায়রে বাল! 
উড়ে যায় কায়া
রেখে যায় মায়া!
গ্রিন সিগারেট! 

সব ক্লাইমেট চেঞ্জ

দাদা! আজকে খুব শীত পড়ছে।
- সব ক্লাইমেট চেঞ্জ। 
দাদা! আজকে ছ্যাকা খাওয়া গরম পড়ছে।
- আরে সব ক্লাইমেট চেঞ্জ। 
দাদা! পাশের ফ্লাটের সোনিয়া দুদিন আগেও যার প্রিয়া প্রকাশের মতো বুক পিঠ সমান ছিলো এখন মিয়া খলিফাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। 
- বুঝলি না? সবই ক্লাইমেট চেঞ্জ।
দাদা! The Man from U.N.C.L.E. মুভিটার সিকুয়েল হচ্ছে।
- সবই ক্লাইমেট চেঞ্জ রে ।
দাদা! এই শীতকালীন অলিম্পকে দক্ষিন কোরিয়া নাকি অ্যাথলেট প্রতি প্রায় ৩৭টি কন্ট্রাসেপ্টিভ বিলিয়েছে।
- ক্লাইমেট চেঞ্জের কারনেই সব সব হচ্ছে রে।
দাদা! আমাদের টমিকে পাশের বাড়ির সাদেক বিস্কুট খাওয়াচ্ছে।
- কি? মার শালারে।

Sunday, February 11, 2018

বালের ভাস্কর্য

ভাবছি শাহবাগ মোড়ে একটা বালের ভাস্কর্য নির্মাণ করবো; সেখানে বিভিন্ন ধরনের বাল কোঁকড়ানো বাল, সোজা বাল, স্পাইক করা বাল, কোকশয়েড, নিগ্রয়েড, মঙ্গোলীয়, অস্ট্রিক, পার্শিয়ান, আর্যীয় সহ সকল ধরনের বালের নমুনা থাকবে। যাতে করে একবিংশ শতাব্দীর মানুষ বালের বিবর্তনের একটি ধারনা পেতে পারে। বাল কি আগে মোটা মোটা অনেকটা খেজুর গাছের মতো ছিল? কখন থেকে বাল চুলের মতো চিকন হতে শুরু করল যে চুলে আর বালে কোন পার্থক্য থাকলো না?
বালের শিল্পমূল্য কি? Evolutionary Biologists বাল সম্পর্কে কি বলেছেন? বালের গন্ধের রহস্য আদৌ আছে কি না? কাদের বালের গন্ধ বেশী? ফরাসীদের, আফ্রিকানদের নাকি অ্যামাজোনিয়ানদের?
যদি এন্টার্কটিক মহাদেশে মানুষ জন্মাত তাদের বালের আকৃতি, প্রকৃতি কেমন হতো?
তবে আমার মনে হয় একজন মহীয়সী নারী মিয়া খলিফা এ সম্পর্কে ভালো বলতে পারবেন।
কর্ডাটা পর্বের প্রানী ছাড়া অন্যদের আদৌ বাল আছে কিনা সে বিষয়ে গবেষনা হওয়া দরকার। মানুষের যে এপিজেবল গ্রিপ রয়েছে তা কি প্রথম দিকে সৃষ্টি হয়েছিল বাল টেনেটেনে তোলার জন্য নাকি হাতিয়ার ধরার জন্য?
শারীরিক অভিযোজনের কথা ধরলে অস্ট্রালোপিথেসিন্স আফারেন্সিস, হোমো হ্যাবিলিস, হোমো ইরেক্টাস, হোমো স্যাপিয়েন্সের বাল কি ভাবে বিবর্তিত হয়েছিল সময়ের সাথে?
মেসোপটেমিয়া, মিশর, ভারত, চীন, মায়া, গ্রিস, রোমান সভ্যতায় বালের ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক গুরুত্ব কতটুকু ছিল? কিংবা বালের উপর কোন কর বসানো হতো? প্রাচীন অলিম্পিকে কি বাল গঠন (বাল লম্বাকরন, মোটাতাজাকরণ প্রভৃতি) প্রতিযোগিতা হত?
প্রারম্ভিক সভ্যতায় মানুষ পানি উৎসের কাছাকাছি কেন বাস করত? সে কি শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্য নাকি নিয়মিত বাল ধৌত করার জন্য?
যাদের বাল Community Ethics ভংগ করে তাদের বিচার কোন আইনে হবে? Criminal, Civil, Common or Statuate? Greek, Roman, Chinese, Hindu, Jewish Law বাল সম্পর্কে কি কোন সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে? Spritual ক্ষেত্রে বালের গুরুত্ব কতটুকু?
বাল নিয়ে কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিকরা কি বলেছেন, যেমন
"ঝলমল কালো বাল
আহা! ঝলমল কালো বাল
কিউট কিউট কিউট স্যাম্পু
ঝলমলে কালো বাল। "
কিংবা এরিস্টটলের অমর বানী,
"লম্বা ও ঘন বালধারীর শাসন অন্য যে কোন ব্যাক্তি শাসনের চেয়ে ভালো।"
অথবা
"ফুটন্ত ফুলের মতো বাল মনোরম, তার চেয়ে বেশী কিছু আছে সুন্দর?"
কিংবা
"শান্ত ও পরিছন্ন বাল স্বাস্থ্যরক্ষায়, উৎকৃষ্ট খাদ্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।" 

সর্বশেষে
"মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেচে থাকলে বাল কাটে কারনে অকারনে কাটে।"

Friday, February 9, 2018

Sustainable Development Goals (SDG) এর দুটি লক্ষ্য আমারা পূরণ করে ফেলেছি! 
১) Sustainable জ্যাম। 
২) Continuous প্রশ্ন ফাঁস।
প্রশ্নফাঁস বলে আসলে কোন কিছু নাই সব 'Open Book Examination' নেওয়ার পূর্বে 'Pilot Project' হিসেবে 'Open Questions Examination' প্রকল্পের অংশ মাত্র। এ নিয়ে যারা সমালোচনা করে তাদের সম্পর্কে জনৈক নোয়াখালীর মনীষী বলেছেন 'কাজ নাই কইত্তো, বাল নাই হাইত্তো'।

Sunday, February 4, 2018

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখন জন্মগ্রহন করলে ওনার নাম হতো ড. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আর কাজী নজরুলের নাম হতো ড. কাজী নজরুল ইসলাম, পিএইচডি (জাপান)

Monday, January 8, 2018

পুরানা পল্টন আসার সময় শহিদ মিনারে দেখি "পুরুষ নির্যাতন দমন আইন চাই" লেখা ব্যানার নিয়ে একদল ছেলে মানববন্ধন করছে, ডাক দিলাম কয়েকজনকে ; জিজ্ঞেস করলাম, ভাই নিচে কিছু আছে? 
- না ভাই কিছু দেখি না তো। 
- তাইলে তো আন্দোলন করবেনই। 
ওড়না! সাধের ওড়না ! লাই পেয়ে পেয়ে গলায় উঠছো আর নিচে নামতে ইচ্ছা করে না, না? 

বিয়ে মানে : Sex made-easy

কোথায় যেন পড়েছিলাম, "বিয়ে হচ্ছে বৈধ   পতিতাবৃত্তি।" আর মোতাহের হোসেন চৌধুরী তার 'সংস্কৃতি-কথা' প্রবন্ধে বলেছেন, "বিয়ে মানে : Sex made-easy".  বিয়েতে প্রেম থাকে না যা থাকে তা হল কোপাকুপি আর প্রয়োজনীয়তা। অর্থাৎ বিয়ে হচ্ছে বৃত্তি ( Basic Need) আর প্রেম হচ্ছে সুকুমারবৃত্তি বা শিল্প (Arts). প্রেমিক সাহসী আর হেজব্যান্ড/চুলেরব্যান্ড হলো  ভীরু কাপুরুষ যে মশারীর নিচে বসে মশা মারে।  আর প্রেমিক সে তো দুরন্ত সাহসী রাতের আঁধার পার হয়ে কলা গাছের আড়ালে কিংবা রিক্সার হুড় তুলে দিয়ে প্রেমিকার ঠোঁটে ঠোঁট লাগাতে কুন্ঠিত হয় না।  তাই সমাজ তাকে ভয় পায়; কারন সমাজ ভীরুতা পছন্দ করে সাহসীকতা নয়।  তাই এই শীতে প্রেমিকাকে হ্যা বলুন,  বউকে না বলুন,  সাহসী হোন।  

Saturday, October 14, 2017

রুমের সামনে ব্রা !

ঘুম থেকে উঠে দেখি রুমের সামনে কে যেন ৭২ ফ্রন্টের ব্রা ঝুলিয়ে রেখে গেছে। কোন শালা রে ? ৩৬ ফ্রন্টের হলেও একটা কথা থাকে, ডাইরেক ৭২ ফ্রন্ট ! 
ওয়াশরুম পর্যন্ত যেতে যেতে দেখি অনান্য রুমের সামনেও ঝুলছে। পরে পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বুঝলাম এগুলো টিনারই ব্রা। কারন টিনার সাথে আমার গোপন অভিসার ঘটে চারবছর পর পর। জার্মানি যখন সাত সাত বার ব্রাজিলের ব্রা খুলে নিয়ে গেল কই তখন তো প্রতিবাদ করি নাই বরং দুই হালি বার কেন খুলে নাই ভেবে দুঃখ পেয়েছিলাম। দিত আর্জেন্টিনা ওরূপে টিনার ব্রার দিকে হাত, হাত কেটে নিয়ে আসতাম না। যাইহোক আবার আসিতেছে ২০১৮ সাল তখন রুমের সামনের ব্রাগুলি ব্রাজিল আর টিনা গয়নাগাটি পরে আর্জেন্টিনায় পরিনত হবে; সে পর্যন্ত ওরা ঝুলিতেই থাকুক।

Wednesday, August 30, 2017

আমি কৃষ্ণ তুমি রাঁধা , কি করবে তোমার দাদা?

রাঁধা আসলে কে ছিল?  এত কাব্য কবিতা পদাবলী এই সুন্দরী কে নিয়ে!  দুনিয়ায় যেন রাঁধা  ছাড়া রূপ নাই!  যেমন নাই কানু ছাড়া গান।  কে ছিল এই সর্বাঙ্গসুন্দরী?  কৈ পাব তারে?  দেখে একবার মন জুড়াইতাম।  নাকি রূপ উন্মত্তের কাছে তার প্রিয়তমাই রাঁধা?  আর মুগ্ধা অভিসারিণীরর কাছে তার নাগরই চিকন কালা।  হতেও পারে কারন  লৌকিকভাবে বর্ননা করলে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু একটা common   নামে প্রকাশ করলে দোষও হয় না অথচ যা খুশি বলা যায়,  প্রশংসা করা যায়।
তাইতো প্রেমিক প্রেমিকা  পরস্পরের কাছে "আমি কৃষ্ণ  তুমি রাঁধা।"
অভিসারক অতি চালাক,  ধরা পড়ার ভয়ে সে ভিন্নরূপ ধারন করে সংকেত করে আর অভিসারিকা মিলনের আশায় কখনো কলসি নিয়ে কখনো  নিশারাতে সবাই কে ফাঁকি দিয়ে ঘরের বাহির হয়।
নেশা যখন লেগেছে ভ্রমর ফুলে বসবেই,  সমাজ তা কখনো ঠেকাতে পারবে না,  পারেও নি।  তাইতো রাঁধা রূপে নাগরী আর কালা রূপে নাগর বিরাজ করে।
তাইতো বলি, রাঁধা রূপী নেশা,  তুমি চক্ষে এসে অন্ধ হই বক্ষে এস নিন্দে হোক,  আকুল হৃদয় ঠান্ডা হোক।  

Sunday, August 13, 2017

সাবান


অংগে অংগ মিশাইয়া কখনো গাইয়াছি গান কখনো বা ভাসিয়াছি জলে।  তাহার সাথে বদ্ধ ঘরে অভিসার!  সবাই জানিত কিন্তু কেউ বাধা দেয় নাই।  সুন্দরীর সাথে দেখা  না হইলেই কেমন যেন বিশ্রী বিশ্রী লাগিত।  তবে হ্যা,  কারো সাথেই  সুদীর্ঘ সম্পর্ক থাকেনি,  সবাই আমাকে ছ্যাকা দিয়া পালাইয়াছে।  আমিও কম যাই নাই,  একজন পালানোর সাথে সাথে অন্য জনকে ঘরে তুলিয়াছি।
তাহার অংগের সুগন্ধ আমার নেশা লাগাইয়াছে,  তাই প্রথমেই শাড়ীর উপর দিয়া সুবাস লইয়া ভাবিয়া দেখিতাম ঘরে তুলিব কি না,  সুবাস মন জুডাইলে তারপরেই সব খুলিয়া বাসরে প্রবেশ করিতাম।
বাবা বলিয়াছিল,  বাইরে থেকে আসিয়া যে যতক্ষন হস্তপদ স্পর্শ না   করিবে ততক্ষন কিছু মুখে তুলবি না।  তাহার ভিতরকার অন্তর্বাস খুলিয়া তাহার সাথে অলিম্পিক ব্যাটারি লাগাইয়া ছোটবেলায় গাড়ী বানাইয়াছি,  সে বাধা দেয় নাই।  আর এক মেরিল নামে এক অভিসারিকা ছিল  যার পাঁচটি ব্যাবহৃত শাড়ী  দিলে  নতুন একখান পাওয়া যাইত।  ক্লাস টেনে একবার জৈব রসায়নে তাহার  উৎপাদন প্রক্রিয়া মনে না রাখিতে পারিয়া স্যারের পাখার বাড়ি খাইয়াছিলাম। এর পরে আর তাহাকে ভুলি নাই।  তাইতো গান গাই,
"
ভুলি কেমনে   আজো যে মনে
      বেদনা-সনে   রহিল আঁকা।
আজ সজনী    দিন রজনী
      সে বিনে গনি   সকলি ফাঁকা।।"