Friday, July 28, 2017

পরকীয়া ফাল্গুন (পরকীয়া নিয়ে বই)


( প্রথম পর্ব)
--------------------------
D. H. Lawrence এর Lady Chatterley's Lover   বইটা ঘরেই ছিল।  কৌতূহল বসত একবার পড়েই ফেললাম,  এ দেখি পরকীয়ার অাদর্শ বই।   জৈবিক তাড়নার কাছে হরে যায় সামাজিক স্তর বিন্যাস,  পয়সার ঝনঝনানি আর খ্যাতির মোহ।

তারপর ক্লাস নাইন টেনে পড়া কুবেরের শালী নিয়ে পালিয়ে যাওয়া তো পার্সোনাল ফেভারিট।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়  সম্পাদিত " পরকীয়া প্রেম" তো প্রথমে জানালা  দরজা জানালা বন্ধ করে পড়তে বসেছিলাম পরে অবশ্য  কিছু লেখা চোখের জল বের করে ছেড়েছে।

Gustave Flaubert এর Madame Bovary পড়ে তো ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে সুন্দরী Intern ডাক্তার ছাড়া চিকিৎসাই নেই না।

 Leo Tolstoy তো পরকীয়া প্রেমের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন Anna Karenina তে।  দুলাভাইয়ের গৃহকর্মীর সাথে প্রেম আর শালীর স্বামী রেখে আর একজনের সাথে লুতুপুতু প্রেম উপন্যাসটিকে যেন মধু মধু করেছে।
পরকীয়ার প্রথম ফাল্গুন এখানেই সমাপ্ত করি। একটু কলা ভবনের সামনে যেতে হবে।  

Wednesday, February 22, 2017

কে যাসরে রঙিলা নার মাঝি ! - জসিমউদ্দিন

কে যাসরে রঙিলা নার মাঝি  !
সামের আকাশরে দিয়া,
আমার বাজানেরে   কইও খবর,
নাইওরের লাগিয়ারে ।
গলুইতে লিখিলাম লিখন সিন্তার সিঁদুর দিয়া,
আমার বাপের দেশে দিয়া আইসো গিয়া
-      রে রঙিলা নার মাঝি !
আমার বুকের নিঃশ্বাস পালে নাওন  ভরিয়া,
ছয় মাসের পন্থ  যাইবা ছয় দণ্ডে চলিয়া,
-      - রে রঙিলা নার মাঝি !

Tuesday, February 21, 2017

''আমার বাড়ি যাইতে বন্ধু রে

''আমার বাড়ি যাইতে বন্ধু রে
কার বা রাখো ডর
ভাসুর আমার গা’র চকিদার
শ্বশুর দফাদার রে
যাইতে যদি ইচ্ছা কর রে
আমি থাকবো পথে
নেচে নেচে যাইও বন্ধু
আমার ঘর মাঝে রে''

Wednesday, February 15, 2017

তোমার পূর্ণ বক্ষে বুঝবে না মোর শুন্য বক্ষের ব্যাথা ।

নদীকে দুঃখের কথা শোনাতে  আমার ভালো লাগে ।  ব্রহ্মপুত্র নদকে একবার বলেছিলাম মনে রাখিস রে নদ একদিন তোর উপর দিয়ে দুজনে পার হয়ে গিয়েছিলাম । হয়তো একদিন সেও থাকবে না আমিও থাকবো না কিন্তু নদ থাকবে । কেউ কোনদিন মনেও রাখবেও না  একহাজার কিলোমিটার দূরের  কুমার নদীর পাড়ের  এক ছেলে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ের এক মেয়ের প্রেমে পড়েছিল ।    
ভালবাস্রার মানুষ হারিয়ে যায় কিন্তু  নদীর পাড়ের স্মৃতি রয়ে যায় । নদীর পাড়ে আমার স্মৃতি অনেক । নদীকে শোনাই আমার দুঃখের  কথা । এই  নদী দিয়ে আমার প্রিয়তমা একদিন পার হয়ে যাবে , যদি সে আমার কথা তাকে  মনে করিয়ে দেয় !   

নদীকে মনের কথা বলে মানুষ কতো গান গায় , আমার সংগ্রহে থাকা এমন কিছু করুন সুরের ধীর লয়ের ভাটিয়ালী গান , মন খারাপ থাকলে যা শুনে মন ভালো করি ।

১।  ও ভরা ভাদরের নদী
   জানো নি তার কথা
   ও আমায়  ঢেউ এর হাতে তুলে দিয়ে
   ও আমার বন্ধু গেল কোথা
……………………………
   -বিজয় সরকার

 


২ । আমার গহীন জলের নদী  
আমি তোমার জলে রইলাম ভেসে জনম অবদী

  • কাজী নজরুল ইসলাম 


৩ । ও নদী রে  
আমি বড় আশায় ঘর বাধিলাম রে
নদী গো তোর চরে
ওরে আমার সেই ঘরে ভাঙন লেগে গেল

  • বিজয় সরকার 


৪ । জীবন নদীর নাইয়া
   ভবের খেলা সাঙ্গ হলে গো
    নিয়ো পার করিয়া রে 
    আমার জীবন নদীর নাইয়া 


৫ ।  কবে আমার দিকে ফিরাবে নাও
ধীরে ধীরে বাইয়া রে
ওরে আমার জীবন নদীর নাইয়া রে
  • বিজয় সরকার



৬ । ওরে আমি চেয়ে দেখি সব বিদেশিরে
আমার দেশের দেশী কেহ নাই
আমি কার নৌকায় উঠিব রে ভাবি তাই 

৭ । উজান দেশের মাঝি ধন , ভাটির দেশে যাও
বাজানেরে  কইয়ো  খবর দেখা যদি পাও

  • কথাঃ  প্রচলিত

Tuesday, February 14, 2017

ও ভরা ভাদরের নদী - বিজয় সরকার

ও ভরা ভাদরের নদী জাননি তার কথা,
হে আমার ঢেউয়ের হাতে তুলে দিয়ে,
আমার বন্ধু গেলো কোথা
ও ভরা ভাদরের নদী জাননি তার কথা

এমনি সেদিন বিকেল বেলায়, নদীর তীরে ঝাউগাছ তলায়,
দক্ষিন বায়ু সখীর দোলায় দোলে গাছের পাতা,
তখন আকাশের গায়ে আলপনা দেয়, কোন দেবদুহিতা
ও ভরা ভাদরের নদী জাননি তার কথা

আমি সেদিন আপন মনে,
করি মধুর আলাপ বধুর সনে,
মুখোমুখি সুখাসনে সুখ দুঃখের কথা,
কেন অল্পকালে শুখাইলো আমার আশাকল্পলতা
ও ভরা ভাদরের নদী জাননি তার কথা

ঢেউয়ের নাচন দুলে দুলে, ভরা নদীর কুলে কুলে,
আমি কাঁদি ফুলে ফুলে; ফুলের ভ্রমর যথা,
তোমার পূর্ণ বক্ষে বুঝবে না মোর, শূণ্য বক্ষের ব্যথা,
ও ভরা ভাদরের নদী, জাননি তার কথা

ভাঁঙা গড়ার নিত্য খেলায়; বিপুলও পুলকের মেলায়,
হাসি কান্না বন্যা মেশায় নিথর নিরবতায়,
পাগল 'বিজয়' বলে এ কোন খেলা; খেলছে বিধাতা,
ও ভরা ভাদরের নদী, জাননি তার কথা

আমার ঢেউয়ের হাতে তুলে দিয়ে
আমার বন্ধু গেল কোথা
ও ভরা ভাদরের নদী, জাননি তার কথা

Sunday, February 12, 2017

বিয়াইন

''হলুদ বরন বিয়াইন আমার
আলতা বরণ পাও
বিয়াইন আমায় ডাইকা কয়
বিয়াই পান খাইয়া যাও ''

Sunday, February 5, 2017

প্রথম যৌবনের কালে না হইল মোর বিয়া - ভাওয়াইয়া গান

প্রথম  যৌবনের কালে না  হইল  মোর বিয়া
আর কতকাল রহিম ঘরে একাকিনী হয়া
রে বিধি নিদয়া
হাইল  পইল মোর সোনার  যৌবন মলেয়ার ঝরে
মা ও বাপ মোর হইল বাদী না দিল পরের ঘরে
রে বিধি নিদয়া
বাপকে না কও সরমে মুই মাত্তক না কও লাজে
ধিকি ধিকি তুষের আঘুন জ্বলছে দেহার মাঝে
রে বিধি নিদয়া ।